মেনু

Drop Down MenusCSS Drop Down MenuPure CSS Dropdown Menu

সংকলন ৬- ভুত এফ এম এপিসড (ব্লগার দিকভ্রান্ত পথিক)

মেঘলা বিকেলটা একটু অশুভই লাগছিল। মেঘলা আকাশ আর দমকা হাওয়া কেমন যেন একটা আচ্ছন্ন ভাব এনে দিয়েছিল বিকেলটিকে। তখনও আমার বিন্দুমাত্র ধারনা ছিলনা যে বিকেলটি আসলেই কতটা অশুভ ছিল। পরিষ্কার ধারনার খাতিরেই ঘটনাটির একটি সাধারণ ভুমিকা দেয়া প্রয়োজন। আমি স্টুডেন্ট। উচ্চ-মাধ্যমিক এর পাট চুকিয়ে এখন পড়াশুনা করছি মালয়েশিয়ার সবথেকে প্রসিদ্ধ বিদ্যাপীঠ গুলোর একটিতে। আমি সে বিষয়ে বিস্তারিত শেয়ার করা প্রয়োজন মনে করছিনা। সরাসরি গল্পেই চলে যাচ্ছি। 
মাত্র শেষ করা সেমিস্টারের ঘটনা, বৃহস্পতিবার শেষ বিকেলে একটি ক্লাস পড়েছিল তখন। কো-কারিকুলার বিষয় এর মধ্যে পড়ার কারনে আলাদা ফ্যাকাল্টি ভবনে ক্লাস ছিল। বাস এর অপেক্ষায় না থেকে হেঁটে চলে গেলাম। যাহোক, যথাসময়য়ে ক্লাস জয়েন করলাম। বিপত্তি বাধল যখন সন্ধ্যা হবে হবে সে সময়। হঠাত করে প্রচণ্ড বিকট একটি আর্ত চিৎকার, নারী কণ্ঠের। ভয়াবহ বিকট ছিল সেই চিৎকার, যেন মৃত্যুর আগে শেষ চিৎকার! অনেক নিরব পরিবেশ, তার উপরে প্রায় সাউন্ড প্রুফ কক্ষে হচ্ছিল ক্লাস, চিত্কার তাই বেশ Weired শুনিয়েছিল! মোটামুটি সবাই ছিটকে বেরুলাম, বিশেষ করে ছেলেরা আর আমাদের শিক্ষিকা, মেয়েরা একটু যেন ভয় পেল। বের হয়ে দেখলাম ঠিক ক্লাসের দরজার সামনে একটি মেয়ে শুয়ে আছে! এলোমেলো হাত পা ছুড়ছে, সম্পূর্ণরুপে জ্ঞানহীন মনে হচ্ছে। চোখ বন্ধ, তবে অনেক জোরে চীৎকার করছে আর এলোমেলো কথা বলছে। এলোমেলো ভাবে বলতে শোনা গেল ইংরেজিতে কাউকে সাবধান করে দিচ্ছে আর বলছে “আমার পাশে আসবেনা, শেষ করে ফেলব, সবাইকে মেরে ফেলব” আর বেশ কিছু কথা। যেগুলোর মোটামুটি বেশিরভগই কিছু বোঝা যাচ্ছিলোনা কারন সেগুলো ছিল বিচিত্র ও অজানা শব্দ! খুব অবাক হয়ে অনেক মানুষ দেখছিল, কিন্তু কেউ কিছু করতে সাহস পাচ্ছিলনা! তখন একজন সিনিয়রের পরামর্শ মত কাছে গেলাম আমরা পাঁচজন, কারন সে প্রচণ্ড হাত পা ছুড়ছিল এবং নিজেকে আঘাত করছিল বলে মনে হচ্ছিল। আমরা দুজন দুই হাত ধরলাম মেয়েটার, আর আর বাকি তিনজন ধরেছিল দু’পা, উদ্দেশ্য ছিল ওকে শান্ত করা ও জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করা। তবে সবথেকে আশ্চর্যের বিষয় ছিল আমরা পাঁচ জন মিলে ওকে দু’সেকেন্ডও ধরে রাখতে পারলাম না! শুধু একটি মেয়ের নড়াচড়ায় একটি ছেলে উড়ে প্রায় পাঁচ হাত দূরে ছিটকে পড়তে পারেনা, কিন্তু তাই হল!! ডাক্তার এসে পড়েছে, কিন্তু শত চেষ্টা করেও তাকে ধরা গেলনা, তোলা যাচ্ছেনা এ্যাম্বুলেন্সে। সবথেকে অবাক হলাম মেয়েতি বিচিত্র সব ভাষায় কথা বলছে, ওকে দেখে মনে হচ্ছে হয়ত জাপানিজ/সাউথ কোরিয়ান, কিন্তু আমরা যে কয়টি ভাষা বুঝতে পারলাম সব মিলিয়ে সেগুলো ছিল, চীনা, জাপানিজ/কোরিয়ান, রাশান, জার্মান- ডয়েচ, ইংলিশ, এরাবিক আরও না জানা বেশ কয়েকটি!! আমরা অর হাত পা ছোড়াছুড়ি আর কয়েক সেকেন্ড পরপর বিকট জোরে, অমানুষিক চিৎকারে খুব আতংকিত বোধ করছিলাম। একজন বড় ভাই বেশ উচ্চস্বরে কুরআন মাজিদের আয়াত ও সূরা নাস আবৃত্তি করতে শুরু করলেন তখন। ওর কথা থেমে গেছে, বরং ও নিজের কান এত জোরে দুহাত দিয়ে চেপে ধরে থেমে থেমে বিকট চীৎকার করছিল, সেটা সত্যি আতংকিত করার মত! যেন ও কুরআনের আয়াত শুনে প্রচণ্ড কষ্ট পাচ্ছে!! প্রায় ত্রিশ মিনিট পরে সম্পূর্ণ নিস্তেজ হয়ে গেল মেয়েটি। ডাক্তার ওকে নিয়ে গেল। ওর পরিচয় তখন কেউ জানাতে পারেনি, সে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী কিনা তাও জানা গেলনা। আমরা নিজ নিজ বাসায় ফিরব, রাত হয়ে গেছে তখন। কিন্তু ঝুম বৃষ্টি এল, এত জোরে যে আমরা বেরই হতে পারলাম না! রাত নয়টার দিকে বাসায় ফিরলাম। আমি স্বাভাবিক হয়ে উঠেছি, কাজ সেরে, পড়ছিলাম। রাত দুটার দিকে ঘুমুতে গেলাম। আমি আপাতত এই ফ্ল্যাটটিতে একাই আছি, পরিবারের বাকিরা অন্যত্র শিফট করেছে রিসেন্টলি, আমি করিনি, কারন সামনে পরীক্ষা আর বেশ ব্যাস্ততা ছিল আমার। আচমকা রাতে ঘুম ভেঙ্গে গেল! আমি ফোন টেনে নিলাম সময় দেখার জন্যে। কখনই আমার ঘুম ভাঙ্গেনা অ্যালার্ম না দেয়া পর্যন্ত, অবাক লাগলো! মাথার কাছে জানালা খোলা দেখে ভাবলাম শব্দ এসেছে হয়ত কোন, সেকারণেই ঘুম ভেঙেছে। আর খোলা জানালা দিয়ে আলো ও আসছিলো, তাই উঠলাম আর জানালা টেনে দিতে হাত বাড়ালাম। জানালা টেনে দিতে যাবো, তখনি কে যেন জানালার বাইরে থেকে আমার হাত চেপে ধরল!! প্রচণ্ড ঠাণ্ডা একটা হাত, বরফ শীতল। আমি ঝট করে হাত সরিয়ে নিলাম আর বাইরে তাকালাম, কিছু নেই! আমি বিশ তলায় থাকি, কে ধরবে আমাকে? ভাবলাম, ঘুম থেকে উঠেছি তাই উল্টাপাল্টা লাগছে, লাইট অন করলাম, নাহ আসলেই কিছু নেই। জানালা চাপিয়ে দিলাম, ঘুমুব, মাত্র রাত ৪.৩০! 
আমার চোখ আবারও লেগে এসেছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে প্রচণ্ড আর্তচিৎকার শুনতে পেলাম!!! আমি চমকে উঠে বসলাম বিছানায়! ড্রইং রুম থেকে আসছে মনে হল!! ভয়ে আমার গলা শুকিয়ে যাচ্ছিল, হিম ঠাণ্ডা ঘরে ঘামছিলাম!! আমি বাসায় একা, আমার হৃদপিণ্ড এত জোরে বিট করছিল, আমি নিজেও শূনতে পাচ্ছিলাম!! আমি ভুত-প্রেত বিশ্বাস করিনা, জীন বিশ্বাস করি, কিন্তু ওরা মানুশের উপরে আক্রমন করে, তাও বিশ্বাস করিনা। তাই চমকটা কেটে যেতেই লাইট জ্বালিয়ে বের হলাম। একদম সুনসান বাড়ি, শুধু হাইওয়েতে কিছুক্ষন পরে শোঁশোঁ শব্দে গাড়ি চলছে, যেটি সব সময়ের জন্যেই খুব স্বাভাবিক। আমি ঠিক বুঝে পাচ্ছিলাম না কি জন্যে এমন হচ্ছে! আমি কখনও কোন কিছুতে এমন ভয় পাইনি! সেরাতে আর ঘুমাবনা ভাবলাম! টিভি দেখে রাত পার করে দিলাম, কারন তখন প্রায় ভোর হয়ে গেছে। পরদিন ক্লাসেস সারলাম, বিকেলের শেষে বাসায় ফিরলাম। নিজের ঘরে বসে খাচ্ছিলাম আর মুভি দেখছিলাম। একটা সময় আমি খুব ফিল করতে থাকলাম, কেউ একজন বাসায় আছে, হাঁটছে!! পা হেঁচড়ে হাঁটছে, খুব মৃদু একটা শব্দ, আমি শুনতে পেয়ে মুভির ভলিউম বন্ধ করলাম। পায়ের শব্দও থেমে গেল! বন্ধ দরজার ভেতরে আমি কেমন জানি আজব ফিল করছিলাম তখন। আবার পায়ের শব্দ। আমি চমকে দাড়িয়ে গেলাম যখন কেউ একজন খুব নরমাল শব্দে দরজায় তিনটি টোকা দিল! আমি চমকে চীৎকার করলাম! কে ওখানে? বাইরে কে?? কোন জবাব নেই! আমি সর্বশক্তি দিয়ে চিৎকার করে বললাম, কে বাইরে??? পায়ের শব্দ ধীরে-ধীরে দূরে চলে গেল। আমি আতঙ্কে চীৎকার করছি তখন, পাগলের মত!! 
আমি বুঝলাম, হয় খুব খারাপ কিছু ঘটছে, নয়তো আমি পাগল হয়ে গেছি বা অন্য কিছু। আমি জরুরি ‘দু একটা জিনিস ব্যাগে ভরে নিলাম, পাশের শহরে যাবো! আমার পরিবারের অন্যরা ওখানে। আমার অকস্মাৎ আগমন ও উতভ্রান্ত চেহারা দেখে সবাই এটা সেটা প্রশ্ন করতে থাকল। সকলে পাগল ভাববে ভেবে আমি কিছুই বলিনি তখন। 
সেরাতের ঘুমাতে গেলাম। শেষ রাতে আমার আবারও ঘুম ভেঙ্গে গেল। এবার আমি স্পষ্ট একটি কণ্ঠ শুনতে পেলাম, দরজার বাইরে দাড়িয়ে কেউ একজন ফিশ ফিশ করে আমার নাম ডাকছে!! আমি চীৎকার করে উঠলাম, কে বাইরে?! ভুতুরে নারী কণ্ঠটি একটানা বলছিল, open the door, open the door now! আমি চিৎকার করে শুধু বলেছি চলেছি!! হু ইজ দেয়ার?! কোন উত্তর নেই। 
আমার চিৎকারে বাসার কারো ঘুম ভেঙ্গে গিয়ে থাকবে, চাবি বাইরে ছিল, দরজা খুলে আমাকে নাকি ওরা বেহুঁশ পেয়েছে। আমি সকালে স্বাভাবিক হলাম। রাতের ওই ভয়ানক দুঃস্বপ্ন আমি ভুলতে পারছিলাম না! সবাই ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে চাচ্ছিল, কিন্তু কি অজানা কারনে আমি যেতে চাচ্ছিলাম না! 
পরদিন সকালে, আমি বাসায় সাধারনত একা থাকতেই পছন্দ করি, ঘরে আমি একাই ছিলাম তখনও। গান শুনে মাথার বোঝাটা হাল্কা করতে চেষ্টা করছিলাম... ইয়ারফোন কানে, গান শুনছিলাম, তাই বাইরের কিছুই শূনতে পাচ্ছিলাম না। কিন্তু একসময় মনে হল গানের সাথে কি যেন একটা ফিশফিশ। অনেকবার শোনা গান, প্রতিতি অংশের সাথেই আমি পরিচিত, বাড়তি শব্দ আসবে কোথা থেকে? আমি সঙ স্টপ করে ইয়ারফোন খুলে ফেললাম। কিছু নেই, মনের ভুল মনে করে আবার কানে দিতে যাবো, স্পষ্ট ফিশফফিশ শুনলাম!! কেউ ঘাড়ের কাছ থেকে থেকে কথা বলছে, অস্পষ্ট ও অপরিচিত কিছু শব্দ আওড়াচ্ছে কেউ! বিচিত্র শিউরে ওঠার মতো বীভৎস উচ্চারন ভঙ্গি! ফিসফিসটা ঠিক যেন বিড়বিড় করে কেউ মন্ত্র পাঠ করছে সেরকম! আমি পেছনে তাকিয়ে কিছু দেখেতে পারিনি। আতংকে আমার হাত-পা হিম হয়ে গিয়েছিল তখন। কোনরকমে ঘরের বাইরে বের হলাম। আমার গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে, আমি চিৎকার করে মাটিতে পড়ে গেলাম। আমাকে ডাক্তারের কাছে নেয়া হল। ডাক্তার সব শুনে বললেন, নারভাস ব্রেক ডাউন হয়েছে, সেদিনের ঘটনার কারনে শকে রয়েছি আমি। ঘুমের অসুধ ও নার্ভ শান্ত করার জন্যে কিছু ওষুধ ও কিছু নির্দিষ্ট মেডিটেশন করতে বললেন। নিয়মিত জানাতেও বললেন যে কি ঘটে। আমি তখন থেকে প্রতিনিয়ত ওরকম বিচিত্র ভাষায় ফিশফাশ শুনতাম। একটা ভয়ানক নারী কণ্ঠ, খুব অশুভ ছিল সেটি। এরকম ভয়ানক অবস্থার ভেতরে আমি কএকদিন ছিলাম, একা থাকলেই বাজে কিছু ঘটত আমার সাথে। কিছুদিন পরে সবকিছু ঠিক হয়ে যায়। ডাক্তারের অসুধে কাজ হয়েছে বলেই মনে হতে থাকে। আমিও নরমাল জীবনে ফিরলাম। প্রায় দশ দিনের মতো এমন ভুগতে হয়েছে আমাকে।
তারপরেআবার ক্লাসে যাওয়া শুরু করলাম। তবে আজব কিছু ঘটনা ঘটলো সেই বৃহস্পতিবারেই!! ঠিক একই ক্লাসে আমি। ক্লাস শেষে আমি ফ্যাকাল্টি অফিস তারপরে ডাক্তারের কাছে গেলাম, সেই মেয়েটির অবস্থা জানার জন্যে। ডাক্তার জানালেন, মেয়েটি বেশ কিছুদিন ছিল ওখানে। তখন ওর পরিচিত কাউকেই খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়নি, ও কে, কোথা থেকে এসেছে তাও কেউ বলতে পারেনি। কোনই নির্ভর যোগ্য তথ্য পাওয়া সম্ভব হয়নি যে সে আসলে কে। আমি অনেক খুঁজলাম, কারন আমি কৌতূহল অনুভব করছিলাম, এবং আমার মনে হচ্ছিল যে ওর কি হয়েছে জানতেই হবে আমাকে! আমি প্যারানরমাল কিছু মানতে পারছিলাম না, আর আমার বিশ্বাস ছিল কোনভাবে আমার সাথে ঘটে যাওয়া আজব ঘটনাগুলোর সাথে সেদিনের সেই ঘটনার অবশ্যই সম্পর্ক রয়েছে। আমি মেয়েটির ডাক্তারকে অনেক অনুরোধ করলাম ও নিজের ঘটনা কিছুটা বললাম। ডাক্তারের কথা শুনে আমার পিলে চমকে গেল প্রায়! মেয়েটি যতক্ষণ এখানে ছিল, ঠিক একই ভাবে চীৎকার করেছে, সেভাবে তার কোন চিকিৎসা করা সম্ভব হয়নি, এমনকি মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞরাও কিছু বুঝে উঠতে পারেনি। ঠিক যে রাতে সিদ্ধান্ত নেয়া হল, তাকে বিশেষ ব্যাবস্থায় একটি মানসিক রোগীদের বিশেষায়িত হাসপাতালে পাঠানো হবে, সেই রাতেই একটি মহিলা এলো, বোরকা মত পড়া, শুধু চোখ দেখা যাচ্ছিল। ডাক্তারের বর্ণনা মতে, সে অসম্ভব বেশি ফর্শা ছিল, অথবা সাদা। মহিলাটি মেয়েটিকে দেখতে চাইলেন, জানালেন উনি ওর মা। কিন্তু আর কোন প্রশ্নের জবাব সে দেয়নি। একটি কথাও বলেনি। মেয়েটির কাছে যান, আর ঠিক তার কিছুক্ষন পড়ে মেয়েটি উঠে বসে সাধারণ ভাবে মহিলার সাথে কথা বলতে শুরু করে!! মহিলা একা কথা বলতে চাইলে সবাই বেরিয়ে যায়। ফিরে এসে কেউ আর ওদের দুজনকে দেখতে পায়নি! পরে CCTV তে ধরা পড়া ফুটেজে নাকি দেখা গিয়েছে ওরা দরজা খুলে বেরিয়েছে। কিন্তু বাইরের গার্ড অথবা আর কোন ক্যামেরায় ওদের দেখা যায়নি! যেটি নিতান্ত্যই অসম্ভব!! সবথেকে অবাক কথা বিষয় হল, ওদের চলে যাবার সময়টি। সেটি ছিল মঙ্গলবার রাত ২.৩০ মিনিট। আমি হতবাক হয়ে আবিষ্কার করলাম, মঙ্গলবার রাতেই আমি শেষ বারের মত ফিশ ফিশে সেই কণ্ঠ শুনেছি!!! 


পুরো ব্যাপারটি আজও ধোয়াশাই থেকে গেল আমার কাছে, আমি এখন আর আগের ওই ফ্ল্যাটে থাকিনা, বন্ধুদের সাথে আছি, তবে আজও সেই ভয়াবহ ট্রমা আমাকে তাড়া করে ফিরে.......


সোর্স- http://www.somewhereinblog.net/blog/olyahmed/29731511